🛑 মাইলস্টোন কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে শতাধিক প্রাণহানি: শেখ হাসিনার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা, ড. ইউনূসের ‘সোনালী ব্যাংক’ বিতর্কে দেশজুড়ে ক্ষোভ! 🔥✈️😭


নিজস্ব প্রতিবেদক | গরম খবর ডটকম
📍ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২৫

২১ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১টা ১৮ মিনিট। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান মাত্র ১২ মিনিট উড্ডয়নের পর ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন কলেজে ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হয়।
ভবনের উপর আছড়ে পড়ার পরপরই বিকট বিস্ফোরণ ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে 🔥, মুহূর্তেই ধসে পড়ে একাধিক শ্রেণিকক্ষ, অফিস ও ছাত্রাবাস।


☠️ শতাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা, জাতি স্তব্ধ!

সরকারি হিসাবে এখনও পর্যন্ত ৩২টি মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও, প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে ২০০-৩০০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীর মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ধ্বংসস্তূপে এখনো বহু মরদেহ আটকে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুরো দেশ যেন শোক, স্তব্ধতা ও রাগে স্তব্ধ হয়ে গেছে 🕊️🕯️🇧🇩।


🚑 প্রতিকার যখন শেখ হাসিনা: প্রতিষ্ঠিত বার্ন ইনস্টিটিউটে আহতদের লড়াই চলছে

এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর দগ্ধ ও আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলের ‘শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট’-এ দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় এ মহাদুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটি যেন একমাত্র আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে 🏥🔥।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বার্ন ইনস্টিটিউট না থাকলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বহুগুণ হতে পারতো।


😠 ড. ইউনূসের লজ্জাজনক ও বিভ্রান্তিকর ভূমিকা!

জাতি যখন কান্নায় ভেঙে পড়েছে, তখন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনূস নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভুল তথ্যভিত্তিক ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেন।
তিনি দাবি করেন, “বিধ্বস্ত বিমানটি ২০১৩ সালে শেখ হাসিনার আমলে কেনা হয়েছে।” অথচ সামরিক সূত্র স্পষ্ট করে জানায়, এটি এরশাদ সরকারের আমলে কেনা হয়, যা পরবর্তীতে শুধু আপগ্রেড করা হয়েছিল।

এই পোস্টে জাতির কাছে চরম ক্ষোভ ও ধিক্কার জন্ম নেয়
👉 ভুল ধরার পরও লজ্জা না পেয়ে, উল্টো তিনি নিজের পেজ থেকে পোস্টটি চুপচাপ মুছে দেন!


💸 আরো লজ্জা: সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে দেশবাসীর কাছে সহায়তা চাইলেন ড. ইউনূস!

যেখানে পুরো দেশ সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায়, যেখানে চিকিৎসকরা রক্ত, ওষুধ ও অক্সিজেনের জন্য লড়ছেন—সেখানে ড. ইউনূস নিজের সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে অর্থ চেয়ে একটি পোস্ট দেন!

👉 একজন নোবেলজয়ীর কাছ থেকে এমন আত্মকেন্দ্রিক, সময়ের চেতনা-বিরোধী ও বেমানান আচরণে সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠেছে।

👎 অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন:
এই দুর্ঘটনার দিনে জাতির সামনে ইউনূসের মুখটাই ছিল সবচেয়ে লজ্জাজনক জিনিস!
নিজের জন্য চাঁদা চাইতে লজ্জা করেনি?
জাতি মরছে, আর তিনি টাকা তুলছেন!
লজ্জা! লজ্জা! লজ্জা! 😡🩸📛


🧠 প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্ন

  • ❓ যুদ্ধবিমান কীভাবে শহরের জনবহুল স্কুলের উপর ভেঙে পড়ল?
  • ❓ কে দায়ী এই নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য?
  • ❓ শেখ হাসিনার প্রতিষ্ঠানে যখন আহতদের প্রাণ বাঁচছে, তখন কেন তাকে দোষারোপ?
  • ❓ একজন ‘নোবেলজয়ী’ মানুষের কাছ থেকে জাতি কীভাবে এমন স্বার্থপর আচরণ আশা করে?

🕊️ শেষ কথা:

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর জাতি এখন দুটি জিনিস দেখতে পাচ্ছে—
একদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান যেখানে সন্তানদের জীবন বাঁচানো হচ্ছে।
আরেকদিকে, এক বিতর্কিত ব্যক্তি ড. ইউনূস, যিনি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, দায় এড়াচ্ছেন এবং জাতীয় শোকেও নিজের প্রচারণায় ব্যস্ত।


📢 গরম খবর ডটকম স্পষ্ট ভাষায় বলছে: যারা জাতীয় শোকেও আত্মস্বার্থ নিয়ে মিথ্যা ছড়ায়, তারা জাতির বন্ধু নয়!
আপনার হাতে যদি এই ঘটনার কোনও ভিডিও, তথ্য বা সাক্ষ্য থাকে, আমাদের ইনবক্সে জানান।
আমরা সত্য প্রকাশে আপোষ করবো না। 🗣️📷


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top